Skip navigation (access key S)

Access Keys:

আমার সাইট ভিজিট গোপন রাখুন

এখুনি কারুর সাথে কথা বলতে চান?

  • বিনীমূল্য, গোপনীয় আইন সংক্রান্ত পরামর্শ প্রাপ্ত করুন

    08001 225 6653এ কল করুন
  • সোমবার থেকে শুক্রবার, সকাল 9 টা থেকে বিকেল 8:00
  • শনিবার, সকাল 9টা থেকে দুফুর 12.30 পর্যন্ত
  • প্রতি মিনিট/4পী’র দর থেকে কল করুন – কিংবা এমন ব্যবস্থা করুন যাতে আমরা আপনাকে ফেরত ফোন করতে পারি

আপনার এলাকাতে একটি আইন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা কে খুঁজুন

42. আমি কিভাবে আমার নাম বদলাতে পারি?

16 বা তার বেশি বয়সী যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো সময় তাদের নাম বদলাতে পারেন। আপনি আপনার নাম, পদবী বা দুইটিকেই পরিবর্তন করতে পারেন। আপনি নতুন নাম যোগ করতে পারেন অথবা কোনো পুরানো নাম যদি আপনি না চান তা বাতিল করতে পারেন। আপনি আপনার নতুন নাম সবক্ষেত্রেই ব্যবহার করতে পারেন, এমনকি বিবাহ করা বা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রেও। তবে অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে শঠতা বা প্রতারণা করার জন্য আপনি নাম বদলাতে পারবেন না।

নাম বদলাবার জন্য কোনো আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যাবার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনি সরাসরিই পুরানো নামের বদলে আপনার নতুন নাম ব্যবহার করতে শুরু করতে পারেন। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান আপনার নাম পরিবর্তন করার লিখিত প্রমাণ চাইতে পারে, কারণ আপনি আপনার বার্থ সার্টিফিকেটে (জন্মকালীন সংশাপত্রে) কোনো পরিবর্তন করতে পারবেন না (অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র ছাড়া)।

লিখিত প্রমাণ অর্থে ডাক্তার, পাদ্রী বা মৌলভী, অথবা উকিলের চিঠি, অথবা সংবাদপত্রে কোনো প্রকাশিত বয়ান, এই সবকটিই গ্রাহ্য করা হবে। আপনি ইচ্ছা করলে একটি স্টাচিউটারি ডেকলারেশান দিতে পারেন অথবা ডীড পোল-এর মাধ্যমে আপনার নাম বদলাতে পারেন (নিচে দেথুন)।

আপনি যখন বিবাহ অথবা সিভিল পার্টনারশিপ নথিভুক্ত করছেন তখন যদি নাম বদল করেন, তাহলে সেই ম্যারেজ অথবা সিভিল পার্টনারশিপ সার্টিফিকেটের একটি কপিকেই সাধারণত নাম পরিবর্তনের যথেষ্ট প্রমাণ হিসাবে ধরা হয়।

যদি আপনার বিবাহবিচ্ছেদ অথবা সিভিল পার্টনারশিপ ভঙ্গ হয়, তাহলে আপনি আপনার আগের নাম আবার ব্যবহার করতে চাইতে পারেন। সেই বিবাহবিচ্ছেদ অথবা সিভিল পার্টনারশিপ ভঙ্গের সার্টিফিকেটের একটি কপিকেই সাধারণত নাম পরিবর্তনের যথেষ্ট প্রমাণ হিসাবে ধরা হয়। আপনি যদি আপনার জন্মকালীন নামে ফিরে যেতে চান তাহলে আপনাকে বার্থ সার্টিফিকেট দেখাতে হতে পারে।

নাম পরিবর্তনের প্রমাণ হিসাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একটি স্টাচিউটারি ডেকলারেশান-কে গ্রাহ্য করা হয়। এটি একটি সাধারণ বয়ান যাতে বলা থাকে যে আপনি আপনার পুরানো নাম বাতিল করে নতুন নাম ব্যবহার করতে চান।

ডীড পোলএকধরণের প্রথাগত বয়ান যার দ্বারা আপনার নাম পরিবর্তন প্রমাণ করা যায়। যারা নাম পরিবর্তন করেছেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যাক্তিরই এটি দরকার হয় না। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজন হতে পারে, যেমন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা।

বাচ্চা বা 18-র কমবয়সীরা, তোমরা তোমাদের নাম পরিবর্তন একটি ডীড পোলের মাধ্যমে নথিভুক্ত করতে পারো এমন কোনো ব্যক্তির মাধ্যমে যার উপর তোমাদের প্যারেন্টাল রেসপন্সিবিলিটি বা অভিভাবকত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে তোমাদের বয়স যদি 16 বা তার বেশি হয় তাহলে এই কাজ শুধুমাত্র তোমাদের সম্মতি নিয়েই করা যাবে।

উপরে ফেরত যান